Tuesday, September 4, 2018

ওলি-আউলিয়াদের প্লাটফর্মে দ্বীনের কাজ দুনিয়া ও আখেরাতের পথ সুগম হয়-আল্লামা হুছামুদ্দীন ফুলতলী

বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র কেন্দ্রীয় সভাপতি আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী বলেছেন, দ্বীনের খেদমত ও ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে কাজ করে যাচ্ছে আল ইসলাহ। আউলিয়া কেরামগণের দর্শন অনুসরণ করে এ সংগঠন এগিয়ে যাচ্ছে। ওলি-আউলিয়াদের প্লাটফর্ম ধরে কাজ করলে দুনিয়া ও আখেরাতের পথ সুগম হয়। প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সুন্নিয়ত প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আল ইসলাহর প্রতিটি কর্মী আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে নিজেদের তৈরী করে। প্রত্যেককে সুন্নিয়তের কর্মী তৈরী করতে তিনি উদাত্ত আহবান জানান। গত রোববার সন্ধ্যায় জালালপুর আবু হানি কমপ্লেক্সে আল ইসলাহ দক্ষিণ সুরমা উপজেলা শাখা আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখছিলেন তিনি। দেশ আনজুমানে আল ইসলাহ দক্ষিণ সুরমা উপজেলা শাখার সভাপতি এইচ.এম ফয়সল আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোঃ জয়নাল আবেদীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আনজুমানে আল ইসলাহ মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ.কে.এম মনোওর আলী, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ জ.উ.ম আব্দুল মুনইম মনজলালী, সিলেট জেলা শাখার সহ সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা শুয়াইবুর রহমান, কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি মাওলানা ফখরুল ইসলাম, আল ইসলাহর জেলা সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফয়জুল আলম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মালিক, সহ প্রচার সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুস শহীদ, সদস্য আশিকুল ইসলাম, লতিফিয়া কারী সোসাইটির দক্ষিণ সুরমা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কামাল উদ্দিন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আল ইসলাহর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, ফ্রান্স প্রবাসী আমিনুল হক রজব, জালালপুর ইউনিয়ন আল ইসলাহর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক যুক্তরাজ্য প্রবাসী মাওলানা দিলওয়ার হুসাইন, মহানগর আল ইসলাহর মাওলানা আনহার আলী, তাফসিরুল কুরআন দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা তারিক উদ্দিন, রাইখাইল দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা আব্দুস শহীদ। দক্ষিণ সুরমা আল ইসলাহর সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ নুরুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে সুচিত অনুষ্ঠানের শুরুতে কুরআন তেলাওয়াত করেন হাফিজ আকমল হোসাইন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সুরমা আল ইসলাহর সহ-সভাপতি মাওলানা খায়রুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল লতিফ রুহেল, মাওলানা ফয়েজ আহমদ, প্রমুখ। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলা ও ১০টি ইউনিয়ন শাখা আল ইসলাহ’র দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

গরিব বাবার পক্ষে চিকিৎসা করানো সম্ভব না, পচে যাচ্ছে কাবিলের শরীর

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার ১২ বছর বয়সী কিশোর কাবিল হোসেন অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত। কাবিলের শরীরে পচন ধরেছে। আস্তে আস্তে তা বিস্তার লাভ করেছে সমস্ত শরীরে। বাবা গিয়াস উদ্দিন ব্যাপারী কিছুদিন চিকিৎসাও করিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। আর্থিক সমস্যার কারণে তিনি ছেলের চিকিৎসা করা ছেড়ে দিয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোনাতলার পাকুল্লা ইউনিয়নের সরলিয়া গ্রামের বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন ব্যাপারী। যমুনা নদীর চরে বাড়ি ছিল তার। আবাদি জমিও ছিল। কিন্তু রাক্ষুসী যমুনা নদী ভেঙে নিয়ে গেছে। এরপর মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের উপর। তার দুই মেয়ে এক ছেলের মধ্যে ছোট একমাত্র ছেলে কাবিল। কাবিল হোসেন জানায়, স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে কিছুদিন ক্লাস করেছে সে। ক্লাসে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তার সঙ্গে মিশতো না এবং আলাদা করে রাখতো। এ কারণে বিদ্যালয়ে যাওয়া ছেড়ে দিয়েছে কাবিল। এখন সেই যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাাঁধের উপর সবসময় বসে থাকে। সে আরও জানায়, তার গরিব বাবার পক্ষে তাকে চিকিৎসা করানো সম্ভব নয়। তাই সুস্থ হওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছে সে। সরকারিভাবে যদি চিকিৎসা করানো হয় তাহলে সে স্বপ্ন দেখবে বাঁচার। কাবিলের বাবা গিয়াস উদ্দিন ব্যাপারী বলেন, ছোট বেলায় কাবিলের পায়ে একটি দাগ হয়। কোনো পোকামাকড় কামড় দিয়েছে মনে করে গুরুত্ব দেইনি। কিন্তু আস্তে আস্তে শরীরে চাকার মতো পচন ধরে বাড়তে থাকে। নিজের সাধ্যের মধ্যে কিছু গ্রাম্য চিকিৎসককে দেখিয়ে চিকিৎসা করিয়েছি। ভালো হওয়ার কোনো লক্ষণ না থাকায় চিকিৎসা করা ছেড়ে দিয়েছি। তিনি বলেন, তার একমাত্র ছেলেকে যদি সরকারিভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় তাহলে হয়তো সে বাঁচতে পারে। সোনাতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজার রহমান বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ রকম রোগী পাইনি। এখানে আসলে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

Monday, September 3, 2018

স্মৃতি শক্তি বাড়াতে মহানবী (সা.) যে ৯টি কাজ করতে বলেছেন

আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাদের কোন কিছু মনে থাকে না। আবার এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছে, যারা কোন কিছু খুব বেশি দিন মনে রাখতে পারেন না। এমন সমস্যা মূলত দূর্বল স্মৃতিশক্তির কারণে হয়ে থাকে। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ৯টি কাজ করতে বলেছেন। সেগুলো হলো- ১. ইখলাস বা আন্তরিকতাঃ যে কোনো কাজে সফলতা অর্জনের ভিত্তি হচ্ছে ইখলাস বা আন্তরিকতা। আর ইখলাসের মূল উপাদান হচ্ছে বিশুদ্ধ নিয়ত। নিয়তের বিশুদ্ধতার গুরুত্ব সম্পর্কে উস্তাদ খুররাম মুরাদ বলেন, “উদ্দেশ্য বা নিয়ত হল আমাদের আত্মার মত অথবা বীজের ভিতরে থাকা প্রাণশক্তির মত। বেশীরভাগ বীজই দেখতে মোটামুটি একইরকম, কিন্তু লাগানোর পর বীজগুলো যখন চারাগাছ হয়ে বেড়ে উঠে আর ফল দেওয়া শুরু করে তখন আসল পার্থক্যটা পরিস্কার হয়ে যায় আমাদের কাছে। একইভাবে নিয়ত যত বিশুদ্ধ হবে আমাদের কাজের ফলও তত ভালো হবে।” এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা বলেন, “তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর এবাদত করবে, নামায কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে। এটাই সঠিক ধর্ম।” [সূরা আল-বায়্যিনাহঃ ৫] তাই আমাদের নিয়ত হতে হবে এমন যে, আল্লাহ আমাদের স্মৃতিশক্তি যেনো একমাত্র ইসলামের কল্যাণের জন্যই বাড়িয়ে দেন। ২. দু’আ ও যিকর করাঃ আমরা সকলেই জানি আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো কাজেই সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের উচিত সর্বদা আল্লাহর কাছে দু’আ করা যাতে তিনি আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেন এবং কল্যাণকর জ্ঞান দান করেন। এক্ষেত্রে আমরা নিন্মোক্ত দু’আটি পাঠ করতে পারি, “হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।” [সূরা ত্বা-হাঃ ১১৪] তাছাড়া যিকর বা আল্লাহর স্মরণও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, “…যখন ভুলে যান, তখন আপনার পালনকর্তাকে স্মরণ করুন…” [সূরা আল-কাহ্‌ফঃ ২৪] তাই আমাদের উচিত যিকর, তাসবীহ (সুবহান আল্লাহ), তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ), তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ও তাকবীর (আল্লাহু আকবার) – এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আল্লাহকে স্মরণ করা। ৩. পাপ থেকে দূরে থাকাঃ প্রতিনিয়ত পাপ করে যাওয়ার একটি প্রভাব হচ্ছে দুর্বল স্মৃতিশক্তি। পাপের অন্ধকার ও জ্ঞানের আলো কখনো একসাথে থাকতে পারে না। ইমাম আশ-শাফি’ঈ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, “আমি (আমার শাইখ) ওয়াকীকে আমার খারাপ স্মৃতিশক্তির ব্যাপারে অভিযোগ করেছিলাম এবং তিনি শিখিয়েছিলেন আমি যেন পাপকাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখি। তিনি বলেন, আল্লাহর জ্ঞান হলো একটি আলো এবং আল্লাহর আলো কোন পাপচারীকে দান করা হয় না।” আল-খাতীব আল-জামী'(২/৩৮৭) গ্রন্থে বর্ণনা করেন যে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া বলেনঃ “এক ব্যক্তি মালিক ইবনে আনাসকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘হে আবদ-আল্লাহ, আমার স্মৃতিশক্তিকে শক্তিশালী করে দিতে পারে এমন কোন কিছু কি আছে? তিনি বলেন, যদি কোন কিছু স্মৃতিকে শক্তিশালী করতে পারে তা হলো পাপ করা ছেড়ে দেয়া।’” যখন কোনো মানুষ পাপ করে এটা তাকে উদ্বেগ ও দুঃখের দিকে ধাবিত করে। সে তার কৃতকর্মের ব্যাপারে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে তার অনুভূতি ভোঁতা হয়ে যায় এবং জ্ঞান অর্জনের মতো কল্যাণকর ‘আমল থেকে সে দূরে সরে পড়ে। তাই আমাদের উচিত পাপ থেকে দূরে থাকার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা। ৪. বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা করাঃ একটু গভীরভাবে লক্ষ্য করলে আমরা দেখবো যে, আমাদের সকলের মুখস্থ করার পদ্ধতি এক নয়। কারো শুয়ে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কারো আবার হেঁটে হেঁটে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়। কেউ নীরবে পড়তে ভালোবাসে, কেউবা আবার আওয়াজ করে পড়ে। কারো ক্ষেত্রে ভোরে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কেউবা আবার গভীর রাতে ভালো মুখস্থ করতে পারে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ উপযুক্ত সময় ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ ঠিক করে তার যথাযথ ব্যবহার করা। আর কুর’আন মুখস্থ করার সময় একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ (কুর’আনের আরবি কপি) ব্যবহার করা। কারণ বিভিন্ন ধরনের মুসহাফে পৃষ্ঠা ও আয়াতের বিন্যাস বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ নিয়মিত ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্কের মধ্যে তার একটি ছাপ পড়ে যায় এবং মুখস্থকৃত অংশটি অন্তরে গভীরভাবে গেঁথে যায়। ৫. মুখস্থকৃত বিষয়ের উপর ‘আমল করাঃ আমরা সকলেই এ ব্যাপারে একমত যে, কোনো একটি বিষয় যতো বেশিবার পড়া হয় তা আমাদের মস্তিষ্কে ততো দৃঢ়ভাবে জমা হয়। কিন্তু আমাদের এই ব্যস্ত জীবনে অতো বেশি পড়ার সময় হয়তো অনেকেরই নেই। তবে চাইলেই কিন্তু আমরা এক ঢিলে দু’পাখি মারতে পারি। আমরা আমাদের মুখস্থকৃত সূরা কিংবা সূরার অংশ বিশেষ সুন্নাহ ও নফল সালাতে তিলাওয়াত করতে পারি এবং দু’আসমূহ পাঠ করতে পারি সালাতের পর কিংবা অন্য যেকোনো সময়। এতে একদিকে ‘আমল করা হবে আর অন্যদিকে হবে মুখস্থকৃত বিষয়টির ঝালাইয়ের কাজ। আবার কোনো কিছু শেখার একটি উত্তম উপায় হলো তা অন্যকে শেখানো। আর এজন্য আমাদেরকে একই বিষয় বারবার ও বিভিন্ন উৎস থেকে পড়তে হয়। এতে করে ঐ বিষয়টি আমাদের স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে গেঁথে যায়। – ৬. মস্তিষ্কের জন্য উপকারী খাদ্য গ্রহণঃ পরিমিত ও সুষম খাদ্য গ্রহণ আমাদের মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্যের জন্য একান্ত আবশ্যক। অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ আমাদের ঘুম বাড়িয়ে দেয়, যা আমাদের অলস করে তোলে। ফলে আমরা জ্ঞানার্জন থেকে বিমুখ হয়ে পড়ি। তাছাড়া কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো আমাদের মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। সম্প্রতি ফ্রান্সের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যয়তুনের তেল চাক্ষুস স্মৃতি (visual memory) ও বাচনিক সাবলীলতা (verbal fluency) বৃদ্ধি করে। আর যেসব খাদ্যে অধিক পরিমাণে Omega-3 ফ্যাট রয়েছে সেসব খাদ্য স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যকলাপের জন্য খুবই উপকারী। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য অনেক ‘আলিম কিছু নির্দিষ্ট খাদ্য গ্রহণের কথা বলেছেন। ইমাম আয-যুহরি বলেন, “তোমাদের মধু পান করা উচিত কারণ এটি স্মৃতির জন্য উপকারী।” মধুতে রয়েছে মুক্ত চিনিকোষ যা আমাদের মস্তিষ্কের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া মধু পান করার সাত মিনিটের মধ্যেই রক্তে মিশে গিয়ে কাজ শুরু করে দেয়। ইমাম আয-যুহরি আরো বলেন, “যে ব্যক্তি হাদীস মুখস্থ করতে চায় তার উচিত কিসমিস খাওয়া।” ৭. পরিমিত পরিমাণে বিশ্রাম নেয়াঃ আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের মস্তিষ্ক অনেকটা ব্যস্ত অফিসের মতো কাজ করে। এটি তখন সারাদিনের সংগৃহীত তথ্যসমূহ প্রক্রিয়াজাত করে। তাছাড়া ঘুম মস্তিষ্ক কোষের পুণর্গঠন ও ক্লান্তি দূর করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে দুপুরে সামান্য ভাতঘুম আমাদের মন-মেজাজ ও অনুভূতিকে চাঙা রাখে। এটি একটি সুন্নাহও বটে। আর অতিরিক্ত ঘুমের কুফল সম্পর্কে তো আগেই বলা হয়েছে। তাই আমাদের উচিত রাত জেগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাওয়াহ বিতরণ না করে নিজের মস্তিষ্ককে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া। ৮. জীবনের অপ্রয়োজনীয় ব্যাপারসমূহ ত্যাগ করাঃ বর্তমানে আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া ও জ্ঞান অর্জনে অনীহার একটি অন্যতম কারণ হলো আমরা নিজেদেরকে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কাজে জড়িয়ে রাখি।'[ ফলে কোনো কাজই আমরা গভীর মনোযোগের সাথে করতে পারি না। মাঝে মাঝে আমাদের কারো কারো অবস্থা তো এমন হয় যে, সালাতের কিছু অংশ আদায় করার পর মনে করতে পারি না ঠিক কতোটুকু সালাত আমরা আদায় করেছি। আর এমনটি হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে নিজেদেরকে আড্ডাবাজি, গান-বাজনা শোনা, মুভি দেখা, ফেইসবুকিং ইত্যাদি নানা অপ্রয়োজনীয় কাজে জড়িয়ে রাখা। তাই আমাদের উচিত এগুলো থেকে যতোটা সম্ভব দূরে থাকা। ৯. হাল না ছাড়াঃ যে কোনো কাজে সফলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো হাল না ছাড়া। যে কোনো কিছু মুখস্থ করার ক্ষেত্রে শুরুটা কিছুটা কষ্টসাধ্য হয়। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আমাদের মস্তিষ্ক সবকিছুর সাথে মানিয়ে নেয়। তাই আমাদের উচিত শুরুতেই ব্যর্থ হয়ে হাল না ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

Saturday, August 25, 2018

এমন ফুটবলই তো দেখতে চায় দেশের মানুষ

এশিয়ান গেমস ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ। কথার মধ্যে একটা আভিজাত্য আছে। পদকের হিসাব করলে যদিও এটা তেমন কিছুই নয়। কিন্তু যখন জানবেন র্যাংকিংয়ের অনেক উপরের দল থাইল্যান্ড ও কাতারকে পেছনে ফেলে এ অর্জন এসেছে তখন তো গর্ব হওয়া উচিত। হ্যাঁ উচিত। পেছাতে পেছাতে দেশের ফুটবলটা এতই তলানিতে ঠেকেছে যে আর পেছানো সম্ভব নয়। সেখান থেকে উঠে দাঁড়াতে প্রয়োজন বড় একটা ধাক্কা। ৪০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার এশিয়াডের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে সে ধাক্কাটা দেশের ফুটবলে দিয়েছেন জামাল ভুঁইয়ারা। ঝিমিয়ে পড়া ফুটবল এখন আলোচনায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশের ফুটবল হট টপিক হয়েছিল। তবে সব থেকে বড় পরিবর্তনটা এসেছে বোধহয় ফুটবলারদের 'মানসিকতায়'। র্যাংকিংয়ের অনেক উপরের দলের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে এখন জয়ের কথা ভাবে বাংলাদেশ দল। যেটা আগে কখনো দেখা যায়নি। কোচ জেমি ডে খাদ্যাভ্যাস আর ফিটনেসে এনেছেন আমূল পরিবর্তন। আর এই পরিবর্তন মাঠের খেলায় ফুল হয়ে ফুটেছে। শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করার মানসিকতা তৈরি করে দিয়েছে। বড় দলগুলোর বিপক্ষে জয়ের আশা করেনা দেশের মানুষ। কারণ তারা জানে দলের সামর্থ্য। কিন্তু লড়াই করবে; এমন আশা সব সময় থাকে। সে আশা এবার এশিয়ান গেমসে পূরণ করেছে ফুটবলাররা। গেমসের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করেছে বাংলাদেশ। উজবেকিস্তানের সাথে ৩-০ তে হারা ম্যাচেও একটা গোল করেছিল। কিন্তু তার আগে ফাউল হওয়ায় রেফারি সে গোল বাতিল করে। এরপর থাইল্যান্ড, কাতার ও উত্তর কোরিয়ার সাথে গোল। একটা টুর্নামেন্টের ৯০ শতাংশ ম্যাচে গোল করা ইতিবাচক দিক বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য। ফুটবল দলের প্রধান সমস্যাই তো ছিল গোল করতে না পারার ব্যর্থতা। প্রতিপক্ষের সীমানায় লাল-সবুজ ফরোয়ার্ডদের মুভমেন্ট দারুণ ছিল এবারের এশিয়াডে। এশিয়ান গেমস বাংলাদেশ দল এবং ফুটবলারদের বদলে দিয়েছে। চেনা পথে ফিরিয়েছে ফুটবলকে। লড়াই করার মত একটা দল এখন ফুটবল দল। এটাই তো চেয়েছিল দেশের মানুষ। এখন অপেক্ষা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের।

Friday, August 17, 2018

গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তরুণী আটক

চারিদিক ডেস্ক: নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানিমূলক পোস্ট ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ফারিয়া মাহজাবিন (২৮) নামে এক তরুণীকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর পশ্চিম ধানমন্ডি এলাকা থেজে তাকে আটক করে র‌্যাব-২। ফারিয়া মাহজাবিন ‘নার্ডি বিন কফি হাউজ’ নামে একটি কফিশপ চালান। তিনি লেখাপড়া করেছেন নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে। র‌্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এএসপি রবিউল ইসলাম তিনি জানান, নিরাপদ সড়ক চাই আন্দলনকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে ফেসবুকে মিথ্যা স্ট্যাটাস, উস্কানিমূলক তথ্য দিয়ে গুজব ছড়িয়েছিলেন এই তরুণী। তাকে পশ্চিম ধানমন্ডি থেকে আটক করা হয়েছে। তার ব্যবহৃত ব্যক্তিগত মোবাইল ও ফেসবুক আইডি জব্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান এই র‍্যাব কর্মকর্তা। উল্লেখ্য, গত ২৯ জুলাই শহীদ রমিজউদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। এ ঘটনার পর থেকে নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নামে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে। এখন পর্যন্ত ফেসবুকে উস্কানিমূলক পোস্ট শেয়ার ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে শতাধিক মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে তরুণ-তরুণী, শিক্ষার্থী, অভিনেত্রী ও বিশিষ্ট ব্যক্তি রয়েছেন।

Thursday, August 16, 2018

সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ মহাসড়কে সিএনজি চালকদের কাছে জিম্মি যাত্রী

সিলেট জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন ৭০৭ এর অন্তর্ভুক্ত ফেরিঘাট ও হুমায়ুন চত্বর স্ট্যান্ডের অটোরিক্সা চালকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার কয়েক হাজার যাত্রী সাধারণ। জানা যায়, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদর ও আশপাশের এলাকা থেকে প্রতিদিন ভার্সিটির শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, রোগী সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ ফেরিঘাট অটোরিক্সা স্ট্যান্ড হয়ে সিলেট শহরে যাতায়াত করেন। আবার জরুরী কাজ শেষ করে ফিরে আসেন ফেঞ্চুগঞ্জ। তবে অভিযোগ রয়েছে ফেঞ্চুগঞ্জের ফেরিঘাট স্ট্যান্ড থেকে কোন লোকাল অটোরিক্সা সিলেটে যায় না। একমাত্র ৩০০-৪০০ টাকা রিজার্ভ ছাড়া সিলেটে যায় না কোন অটোরিক্সা। ঘন্টার পর ঘন্টা প্রচন্ড গরমে রোদে পুড়ে অপেক্ষা করতে হয় যাত্রীদের। ফেরিঘাট স্ট্যান্ডে মাঝেমধ্যে সিলেট থেকে কোন অটোরিক্সা আসলে সেই অটোরিক্সা দিয়ে সিলেট শহরে যাতায়াত করেন যাত্রীরা। ফেঞ্চুগঞ্জের ফেরীঘাট অটোরিক্সা স্ট্যান্ডের ম্যানেজার নিজাম উদ্দিন বলেন, প্রায় তিন মাস ধরে আমাদের স্ট্যান্ড থেকে হুমায়ুন চত্বর স্ট্যান্ডে কোন গাড়ি যায় না। সিলেটে অটোরিক্সা না যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে শুরু হয় ফেরিঘাট স্ট্যান্ডের চালক ওমর কল, রবিন্দ্র দাস, নোমান মিয়ার চাপাক্ষোভের প্রকাশ। তাঁরা বলেন, হুমায়ুন চত্বর স্ট্যান্ডের চালকরা যাত্রী ও চালকদের সঙ্গে প্রায় সময় খারাপ আচরণ করে ও নিয়ম অনুযায়ী গাড়ির সিরিয়াল দেন না। লোকাল যাত্রী নিয়ে ফেরিঘাট স্ট্যান্ড থেকে সিলেট সকালে গেলে আসতে হয় বিকেলে। হুমায়ূন চত্বরের শ্রমিক নেতা ও চালকরা নিয়মনীতি মেনে গাড়ির সিরিয়াল দেন না। তাঁরা তাদের নিজেদের স্ট্যান্ডের গাড়িগুলাকে আগে সিরিয়াল দেন। এছাড়া অভিযোগ করেন, হুমায়ূন চত্বরের অটোরিক্সা চালকরা যাত্রীদের সঙ্গে সামান্য বেশি মালামাল দেখলে রিজার্ভ ছাড়া যান না। চালকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ফেঞ্চুগঞ্জ কুশিয়ারা সেতুর টোল আদায় করা হচ্ছে। আমরা অতিরিক্ত গ্যাস বিল ও টোল ভাড়া দিয়ে সিলেটে যাওয়া-আসা খুব কষ্টকর হয়ে পড়েছে এজন্যও সিলেটে কেউ লোকাল যেতে চায় না। তবে এ ব্যাপারে দ্বিমত প্রকাশ করেন হুমায়ুন চত্বর স্ট্যান্ডের সাধারণ সম্পাদক মনির আহমদ। মনির আহমদ বলেন বিগত তিনমাস আগে ফেরীঘাট স্ট্যান্ড থেকে কে বা কারা আমার মোবাইল ফোনে কল করে জানায়, ফেরীঘাট স্ট্যান্ডের কোন গাড়িকে যেন হুমায়ুন চত্বর স্ট্যান্ডে সিরিয়াল না দেওয়া হয় এবং আমরা আপনাদেরকেও সিরিয়াল দেব না। সিলেট ইসলাম অফসেট প্রেসের কর্ণধার নুরুল ইসলাম কিবরিয়া ও নাহিদ ভেরাইটিজ ষ্টোরের মালিক সামাদ আহমদ বলেন, প্রতিদিন আমরা ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে সিলেট যেতে হয় ব্যবসায়ী কাজে, আবার সিলেট থেকে ফেঞ্চুগঞ্জে আসতে হয়। তাঁরা অভিযোগ করে বলেন অটোরিক্সা না যাওয়ায় প্রতিদিন সিলেট যেতে হলে ফেরিঘাট স্ট্যান্ডে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে হয়।

রাজুর রুহের মাগফিরাত কামনা সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্র দলের দোয়া মাহফিল

সিলেট :: বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কারামুক্তি ও সুস্থাতা এবং মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক নিহত ফয়জুল হক রাজুর রুহের মাগফেরাত কামনা করে বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে নগরীর জিন্দাবাজার কাজি-ইলিয়াস জামে মসজিদে বাদ আছর এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি এষ, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী আহছান, মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি তোফায়েল আহমদ, আব্দুল করিম জোনাক, আবুল কালাম, আব্দুল হাসিম, এনামুল কবীর চৌধুরী সুয়েল, তানভীর চৌধুরী, মিনাল হোসেন লিটন, যুগ্ম সম্পাদক হোসেন আহমদ, তাহসীন মেহেদী প্রিন্স, ফাহিম রহমান মৌসুম, আলী আকবর রাজন, ছদরুল ইসলাম লোকমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোতাকাব্বি চৌধুরী সাকি, রুবেল ইসলাম, মেরাজ ভূইয়া পলাশ ও মাহবুবুল আলম সৌরভ প্রমুখ। এছাড়াও সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ফেঞ্চুগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের কমিটি অনুমোদন

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি: সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে মোহাম্মদ আব্দুল হাই নান্না মিয়াকে সভাপতি ও সেলিম আহমদ জুবেল সাধারন সম্পাদক এবং সৈয়দ মোহাম্মদ আলী বাচ্চুকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট ফেঞ্চুগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড উপজেলা কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। সম্প্রতি সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি সালাউদ্দিন পারভেজ সাধারন সম্পাদক জবরুল ইসলাম কমিটি অনুমোদন করেন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহসভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বাবু,জুবায়ের হোসেন,সফিউল আলম,আনছার আলী,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম রাসেল,নজরুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাওছার আহমদ,মানিক আহমদ,অর্থ সম্পাদক মোঃ মামুন আহমদ, দপ্তর সম্পাদক রুকনুজ্জামান রুকন, প্রচার তথ্য ও গবেষণ সম্পাদক মোঃ হাসান মনসুর,প্রকল্প সমবায় ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মতিউর রহমান মনি,ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক রুহুল আমিন রনি,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক দেলোয়ার জাহান রিমন,আইন হিসাব ও নিরীক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রুহুল আমীন রুহেল,শিক্ষা পাঠাগার ও মিলনায়তন বিষয়ক সম্পাদক বাবুল মিয়া,মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং যুদ্ধাহত শহীদ পরিবার বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,সদস্যরা হলেন-ফজলুর রহমান,কয়ছুর রহমান কয়েছ ও সৈয়দ গোলাম মৌলা নজরুল।

ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা

অনলাইন ডেস্ক: সাফ গেমসে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল দল ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে। অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোনো মেয়েদের সামনে আট মাসের ব্যবধানে সাফের দ্বিতীয় শিরোপা ছোঁয়ার সুযোগ। দুর্দান্ত খেলে ফাইনালে ওঠা ছোটনের শিষ্যরা এখন সেই প্রস্তুতিই নেবে। বাংলাদেশের মেয়েরা সাফের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১৪ গোলে উড়িয়ে শুরু করে। এরপর নেপালের বিপক্ষে তহুরা-শামসুন্নাহারদের জয়টা ৩-০ গোলের হলেও পাত্তা পায়নি নেপাল। দুই ম্যাচে ১৭ গোল দিয়ে সেমিতে ওঠা আঁখি-মারিয়ারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় স্বাগতিক ভুটানকে। কিন্তু ভুটানের স্বাগতিক তকমা আনাই মোগিনিদের প্রথমার্ধে রুখতে পারেনি। বাংলাদেশকে পেছনে ঠেলে দিতে পারেনি ভুটানের সমর্থক কিংবা জল-হাওয়া। প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে আঁখিরা বুঝিয়ে দিয়েছে ফাইনালে ওঠার দাবিদার তারাই। মনে করিয়ে দিয়েছে আট মাস আগেও শিরোপা উঠেছে তাদের হাতে। তবে তারা আফসোস করতে পারে প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেও জয়টা আরও বড় হলো না। সেমিফাইনালে অবশ্য ভুটানের জালে ৫ গোল দেওয়াও কম না। ভুটানের থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধে ভালো শুরু করে মারিয়া-তহুরারা। প্রথম গোল পেতে ছোটনের দলকে ১৮ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়। দলের পক্ষে আনাই মোগিনি প্রথম গোল করে। এরপর আবার ২০ মিনিট বাংলাদেশকে আঁটকে রাখে স্বাগতিক ভুটান। ৩৮ মিনিটের মাথায় আনুচিং মোগিনি গোল করে দলকে ২-০ গোলের লিড এনে দেয়। এর পরপরই আরেক গোল করে তহুরা খাতুন। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে তার করা গোলে প্রথমার্ধে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শেষ করে বাংলাদেশের মেয়েরা। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৯ মিনিটে গোল পান মারিয়া মান্দা। তার গোলে বাংলাদেশ ৪-০ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে বদলি নামা শাহিদা গোল করে দলের ৫-০ গোলের জয় এনে দেয়। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত সাফে খেলা তাদের তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে ২২ গোল দিয়েছে। বিপরীতে এক গোলও হজম করতে হয়নি তাদের। ফাইনালেও তারা এই ধারা ধরে রাখতে পারলে শিরোপা ছোটনের শিষ্যদের হাতেই উঠবে। আর সেই লড়াইয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা

Twitter Google ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশে Best Electronics অনলাইন ডেস্ক সাফ গেমসে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল দল ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে। অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোনো মেয়েদের সামনে আট মাসের ব্যবধানে সাফের দ্বিতীয় শিরোপা ছোঁয়ার সুযোগ। দুর্দান্ত খেলে ফাইনালে ওঠা ছোটনের শিষ্যরা এখন সেই প্রস্তুতিই নেবে। বাংলাদেশের মেয়েরা সাফের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১৪ গোলে উড়িয়ে শুরু করে। এরপর নেপালের বিপক্ষে তহুরা-শামসুন্নাহারদের জয়টা ৩-০ গোলের হলেও পাত্তা পায়নি নেপাল। দুই ম্যাচে ১৭ গোল দিয়ে সেমিতে ওঠা আঁখি-মারিয়ারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় স্বাগতিক ভুটানকে। কিন্তু ভুটানের স্বাগতিক তকমা আনাই মোগিনিদের প্রথমার্ধে রুখতে পারেনি। বাংলাদেশকে পেছনে ঠেলে দিতে পারেনি ভুটানের সমর্থক কিংবা জল-হাওয়া। প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে আঁখিরা বুঝিয়ে দিয়েছে ফাইনালে ওঠার দাবিদার তারাই। মনে করিয়ে দিয়েছে আট মাস আগেও শিরোপা উঠেছে তাদের হাতে। তবে তারা আফসোস করতে পারে প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেও জয়টা আরও বড় হলো না। সেমিফাইনালে অবশ্য ভুটানের জালে ৫ গোল দেওয়াও কম না। ভুটানের থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধে ভালো শুরু করে মারিয়া-তহুরারা। প্রথম গোল পেতে ছোটনের দলকে ১৮ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়। দলের পক্ষে আনাই মোগিনি প্রথম গোল করে। এরপর আবার ২০ মিনিট বাংলাদেশকে আঁটকে রাখে স্বাগতিক ভুটান। ৩৮ মিনিটের মাথায় আনুচিং মোগিনি গোল করে দলকে ২-০ গোলের লিড এনে দেয়। এর পরপরই আরেক গোল করে তহুরা খাতুন। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে তার করা গোলে প্রথমার্ধে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শেষ করে বাংলাদেশের মেয়েরা। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৯ মিনিটে গোল পান মারিয়া মান্দা। তার গোলে বাংলাদেশ ৪-০ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে বদলি নামা শাহিদা গোল করে দলের ৫-০ গোলের জয় এনে দেয়। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত সাফে খেলা তাদের তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে ২২ গোল দিয়েছে। বিপরীতে এক গোলও হজম করতে হয়নি তাদের। ফাইনালেও তারা এই ধারা ধরে রাখতে পারলে শিরোপা ছোটনের শিষ্যদের হাতেই উঠবে। আর সেই লড়াইয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিককে নির্দয় নির্যাতনের

অ-  অ+
ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিককে নির্দয় নির্যাতনের অভিযোগ


ইসরায়েলের কারাগারে এক ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিককে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ৪২ বছর বয়সী ওই সাংবাদিকের নাম লামা খাতের।
অভিযোগ, ওই কারাগারের কর্তৃপক্ষ তাঁর কাছ থেকে 'ভিত্তিহীন স্বীকারোক্তি' নিতে নির্দয় নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে।  
গতকাল সংবাদ মাধ্যম ফিলিস্তিন এ কথা জানিয়েছে।  
সম্প্রতি প্যালিস্টিনিয়ান প্রিজনারস ক্লাবের (পিপিসি) একজন আইনজীবী লামা খাতেরের সঙ্গে কারাগারে দেখা করেন।  
ওই আইনজীবী জানিয়েছেন, কারাগারে জিজ্ঞাসাবাদকারীরা লামা খাতেরকে ভয় প্রদর্শন করছে। তারা লামাকে এই বলে ভয় দেখাচ্ছে যে, যদি তিনি স্বীকারোক্তি না দেন তবে তাঁর আত্মীয়দের গ্রেপ্তার করা হবে।  
তিনি জানান, এই সাংবাদিককে কারাগারে সবসময় একটি ছোট চেয়ারে বসিয়ে রাখা হয়। শুধু তাই নয়, তাঁকে হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে পা বেঁধে রাখা হয়। এমনকি তাঁকে টয়লেটেও যেতে দেয়া হয় না।  
এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে পিপিসি।