এশিয়ান গেমস ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ। কথার মধ্যে একটা আভিজাত্য আছে। পদকের হিসাব করলে যদিও এটা তেমন কিছুই নয়। কিন্তু যখন জানবেন র্যাংকিংয়ের অনেক উপরের দল থাইল্যান্ড ও কাতারকে পেছনে ফেলে এ অর্জন এসেছে তখন তো গর্ব হওয়া উচিত। হ্যাঁ উচিত। পেছাতে পেছাতে দেশের ফুটবলটা এতই তলানিতে ঠেকেছে যে আর পেছানো সম্ভব নয়। সেখান থেকে উঠে দাঁড়াতে প্রয়োজন বড় একটা ধাক্কা।
৪০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার এশিয়াডের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে সে ধাক্কাটা দেশের ফুটবলে দিয়েছেন জামাল ভুঁইয়ারা। ঝিমিয়ে পড়া ফুটবল এখন আলোচনায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশের ফুটবল হট টপিক হয়েছিল।
তবে সব থেকে বড় পরিবর্তনটা এসেছে বোধহয় ফুটবলারদের 'মানসিকতায়'। র্যাংকিংয়ের অনেক উপরের দলের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে এখন জয়ের কথা ভাবে বাংলাদেশ দল। যেটা আগে কখনো দেখা যায়নি। কোচ জেমি ডে খাদ্যাভ্যাস আর ফিটনেসে এনেছেন আমূল পরিবর্তন। আর এই পরিবর্তন মাঠের খেলায় ফুল হয়ে ফুটেছে। শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করার মানসিকতা তৈরি করে দিয়েছে।
বড় দলগুলোর বিপক্ষে জয়ের আশা করেনা দেশের মানুষ। কারণ তারা জানে দলের সামর্থ্য। কিন্তু লড়াই করবে; এমন আশা সব সময় থাকে। সে আশা এবার এশিয়ান গেমসে পূরণ করেছে ফুটবলাররা।
গেমসের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করেছে বাংলাদেশ। উজবেকিস্তানের সাথে ৩-০ তে হারা ম্যাচেও একটা গোল করেছিল। কিন্তু তার আগে ফাউল হওয়ায় রেফারি সে গোল বাতিল করে। এরপর থাইল্যান্ড, কাতার ও উত্তর কোরিয়ার সাথে গোল। একটা টুর্নামেন্টের ৯০ শতাংশ ম্যাচে গোল করা ইতিবাচক দিক বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য। ফুটবল দলের প্রধান সমস্যাই তো ছিল গোল করতে না পারার ব্যর্থতা। প্রতিপক্ষের সীমানায় লাল-সবুজ ফরোয়ার্ডদের মুভমেন্ট দারুণ ছিল এবারের এশিয়াডে।
এশিয়ান গেমস বাংলাদেশ দল এবং ফুটবলারদের বদলে দিয়েছে। চেনা পথে ফিরিয়েছে ফুটবলকে। লড়াই করার মত একটা দল এখন ফুটবল দল। এটাই তো চেয়েছিল দেশের মানুষ। এখন অপেক্ষা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের।
Saturday, August 25, 2018
Friday, August 17, 2018
গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তরুণী আটক
চারিদিক ডেস্ক: নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানিমূলক পোস্ট ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ফারিয়া মাহজাবিন (২৮) নামে এক তরুণীকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার রাজধানীর পশ্চিম ধানমন্ডি এলাকা থেজে তাকে আটক করে র্যাব-২।
ফারিয়া মাহজাবিন ‘নার্ডি বিন কফি হাউজ’ নামে একটি কফিশপ চালান। তিনি লেখাপড়া করেছেন নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে।
র্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এএসপি রবিউল ইসলাম
তিনি জানান, নিরাপদ সড়ক চাই আন্দলনকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে ফেসবুকে মিথ্যা স্ট্যাটাস, উস্কানিমূলক তথ্য দিয়ে গুজব ছড়িয়েছিলেন এই তরুণী। তাকে পশ্চিম ধানমন্ডি থেকে আটক করা হয়েছে।
তার ব্যবহৃত ব্যক্তিগত মোবাইল ও ফেসবুক আইডি জব্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান এই র্যাব কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, গত ২৯ জুলাই শহীদ রমিজউদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। এ ঘটনার পর থেকে নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নামে শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে। এখন পর্যন্ত ফেসবুকে উস্কানিমূলক পোস্ট শেয়ার ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে শতাধিক মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে তরুণ-তরুণী, শিক্ষার্থী, অভিনেত্রী ও বিশিষ্ট ব্যক্তি রয়েছেন।
Thursday, August 16, 2018
সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ মহাসড়কে সিএনজি চালকদের কাছে জিম্মি যাত্রী
সিলেট
জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন ৭০৭ এর অন্তর্ভুক্ত ফেরিঘাট ও হুমায়ুন চত্বর স্ট্যান্ডের অটোরিক্সা চালকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার কয়েক হাজার যাত্রী সাধারণ।
জানা যায়, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদর ও আশপাশের এলাকা থেকে প্রতিদিন ভার্সিটির শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, রোগী সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ ফেরিঘাট অটোরিক্সা স্ট্যান্ড হয়ে সিলেট শহরে যাতায়াত করেন। আবার জরুরী কাজ শেষ করে ফিরে আসেন ফেঞ্চুগঞ্জ। তবে অভিযোগ রয়েছে ফেঞ্চুগঞ্জের ফেরিঘাট স্ট্যান্ড থেকে কোন লোকাল অটোরিক্সা সিলেটে যায় না। একমাত্র ৩০০-৪০০ টাকা রিজার্ভ ছাড়া সিলেটে যায় না কোন অটোরিক্সা। ঘন্টার পর ঘন্টা প্রচন্ড গরমে রোদে পুড়ে অপেক্ষা করতে হয় যাত্রীদের। ফেরিঘাট স্ট্যান্ডে মাঝেমধ্যে সিলেট থেকে কোন অটোরিক্সা আসলে সেই অটোরিক্সা দিয়ে সিলেট শহরে যাতায়াত করেন যাত্রীরা।
ফেঞ্চুগঞ্জের ফেরীঘাট অটোরিক্সা স্ট্যান্ডের ম্যানেজার নিজাম উদ্দিন বলেন, প্রায় তিন মাস ধরে আমাদের স্ট্যান্ড থেকে হুমায়ুন চত্বর স্ট্যান্ডে কোন গাড়ি যায় না। সিলেটে অটোরিক্সা না যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে শুরু হয় ফেরিঘাট স্ট্যান্ডের চালক ওমর কল, রবিন্দ্র দাস, নোমান মিয়ার চাপাক্ষোভের প্রকাশ। তাঁরা বলেন, হুমায়ুন চত্বর স্ট্যান্ডের চালকরা যাত্রী ও চালকদের সঙ্গে প্রায় সময় খারাপ আচরণ করে ও নিয়ম অনুযায়ী গাড়ির সিরিয়াল দেন না। লোকাল যাত্রী নিয়ে ফেরিঘাট স্ট্যান্ড থেকে সিলেট সকালে গেলে আসতে হয় বিকেলে। হুমায়ূন চত্বরের শ্রমিক নেতা ও চালকরা নিয়মনীতি মেনে গাড়ির সিরিয়াল দেন না। তাঁরা তাদের নিজেদের স্ট্যান্ডের গাড়িগুলাকে আগে সিরিয়াল দেন। এছাড়া অভিযোগ করেন, হুমায়ূন চত্বরের অটোরিক্সা চালকরা যাত্রীদের সঙ্গে সামান্য বেশি মালামাল দেখলে রিজার্ভ ছাড়া যান না। চালকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ফেঞ্চুগঞ্জ কুশিয়ারা সেতুর টোল আদায় করা হচ্ছে। আমরা অতিরিক্ত গ্যাস বিল ও টোল ভাড়া দিয়ে সিলেটে যাওয়া-আসা খুব কষ্টকর হয়ে পড়েছে এজন্যও সিলেটে কেউ লোকাল যেতে চায় না।
তবে এ ব্যাপারে দ্বিমত প্রকাশ করেন হুমায়ুন চত্বর স্ট্যান্ডের সাধারণ সম্পাদক মনির আহমদ। মনির আহমদ বলেন বিগত তিনমাস আগে ফেরীঘাট স্ট্যান্ড থেকে কে বা কারা আমার মোবাইল ফোনে কল করে জানায়, ফেরীঘাট স্ট্যান্ডের কোন গাড়িকে যেন হুমায়ুন চত্বর স্ট্যান্ডে সিরিয়াল না দেওয়া হয় এবং আমরা আপনাদেরকেও সিরিয়াল দেব না।
সিলেট ইসলাম অফসেট প্রেসের কর্ণধার নুরুল ইসলাম কিবরিয়া ও নাহিদ ভেরাইটিজ ষ্টোরের মালিক সামাদ আহমদ বলেন, প্রতিদিন আমরা ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে সিলেট যেতে হয় ব্যবসায়ী কাজে, আবার সিলেট থেকে ফেঞ্চুগঞ্জে আসতে হয়। তাঁরা অভিযোগ করে বলেন অটোরিক্সা না যাওয়ায় প্রতিদিন সিলেট যেতে হলে ফেরিঘাট স্ট্যান্ডে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে হয়।
রাজুর রুহের মাগফিরাত কামনা সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্র দলের দোয়া মাহফিল
সিলেট :: বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কারামুক্তি ও সুস্থাতা এবং মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক নিহত ফয়জুল হক রাজুর রুহের মাগফেরাত কামনা করে বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে নগরীর জিন্দাবাজার কাজি-ইলিয়াস জামে মসজিদে বাদ আছর এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি এষ, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী আহছান, মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি তোফায়েল আহমদ, আব্দুল করিম জোনাক, আবুল কালাম, আব্দুল হাসিম, এনামুল কবীর চৌধুরী সুয়েল, তানভীর চৌধুরী, মিনাল হোসেন লিটন, যুগ্ম সম্পাদক হোসেন আহমদ, তাহসীন মেহেদী প্রিন্স, ফাহিম রহমান মৌসুম, আলী আকবর রাজন, ছদরুল ইসলাম লোকমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোতাকাব্বি চৌধুরী সাকি, রুবেল ইসলাম, মেরাজ ভূইয়া পলাশ ও মাহবুবুল আলম সৌরভ প্রমুখ।
এছাড়াও সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
ফেঞ্চুগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের কমিটি অনুমোদন
ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা
অনলাইন ডেস্ক:
সাফ গেমসে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল দল ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে। অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোনো মেয়েদের সামনে আট মাসের ব্যবধানে সাফের দ্বিতীয় শিরোপা ছোঁয়ার সুযোগ। দুর্দান্ত খেলে ফাইনালে ওঠা ছোটনের শিষ্যরা এখন সেই প্রস্তুতিই নেবে। বাংলাদেশের মেয়েরা সাফের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১৪ গোলে উড়িয়ে শুরু করে। এরপর নেপালের বিপক্ষে তহুরা-শামসুন্নাহারদের জয়টা ৩-০ গোলের হলেও পাত্তা পায়নি নেপাল। দুই ম্যাচে ১৭ গোল দিয়ে সেমিতে ওঠা আঁখি-মারিয়ারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় স্বাগতিক ভুটানকে। কিন্তু ভুটানের স্বাগতিক তকমা আনাই মোগিনিদের প্রথমার্ধে রুখতে পারেনি। বাংলাদেশকে পেছনে ঠেলে দিতে পারেনি ভুটানের সমর্থক কিংবা জল-হাওয়া। প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে আঁখিরা বুঝিয়ে দিয়েছে ফাইনালে ওঠার দাবিদার তারাই। মনে করিয়ে দিয়েছে আট মাস আগেও শিরোপা উঠেছে তাদের হাতে। তবে তারা আফসোস করতে পারে প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেও জয়টা আরও বড় হলো না। সেমিফাইনালে অবশ্য ভুটানের জালে ৫ গোল দেওয়াও কম না। ভুটানের থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধে ভালো শুরু করে মারিয়া-তহুরারা। প্রথম গোল পেতে ছোটনের দলকে ১৮ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়। দলের পক্ষে আনাই মোগিনি প্রথম গোল করে। এরপর আবার ২০ মিনিট বাংলাদেশকে আঁটকে রাখে স্বাগতিক ভুটান। ৩৮ মিনিটের মাথায় আনুচিং মোগিনি গোল করে দলকে ২-০ গোলের লিড এনে দেয়। এর পরপরই আরেক গোল করে তহুরা খাতুন। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে তার করা গোলে প্রথমার্ধে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শেষ করে বাংলাদেশের মেয়েরা। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৯ মিনিটে গোল পান মারিয়া মান্দা। তার গোলে বাংলাদেশ ৪-০ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে বদলি নামা শাহিদা গোল করে দলের ৫-০ গোলের জয় এনে দেয়। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত সাফে খেলা তাদের তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে ২২ গোল দিয়েছে। বিপরীতে এক গোলও হজম করতে হয়নি তাদের। ফাইনালেও তারা এই ধারা ধরে রাখতে পারলে শিরোপা ছোটনের শিষ্যদের হাতেই উঠবে। আর সেই লড়াইয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা
Twitter Google
ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশে
Best Electronics
অনলাইন ডেস্ক
সাফ গেমসে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল দল ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে। অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোনো মেয়েদের সামনে আট মাসের ব্যবধানে সাফের দ্বিতীয় শিরোপা ছোঁয়ার সুযোগ। দুর্দান্ত খেলে ফাইনালে ওঠা ছোটনের শিষ্যরা এখন সেই প্রস্তুতিই নেবে।
বাংলাদেশের মেয়েরা সাফের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১৪ গোলে উড়িয়ে শুরু করে। এরপর নেপালের বিপক্ষে তহুরা-শামসুন্নাহারদের জয়টা ৩-০ গোলের হলেও পাত্তা পায়নি নেপাল। দুই ম্যাচে ১৭ গোল দিয়ে সেমিতে ওঠা আঁখি-মারিয়ারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় স্বাগতিক ভুটানকে।
কিন্তু ভুটানের স্বাগতিক তকমা আনাই মোগিনিদের প্রথমার্ধে রুখতে পারেনি। বাংলাদেশকে পেছনে ঠেলে দিতে পারেনি ভুটানের সমর্থক কিংবা জল-হাওয়া। প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে আঁখিরা বুঝিয়ে দিয়েছে ফাইনালে ওঠার দাবিদার তারাই। মনে করিয়ে দিয়েছে আট মাস আগেও শিরোপা উঠেছে তাদের হাতে। তবে তারা আফসোস করতে পারে প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেও জয়টা আরও বড় হলো না। সেমিফাইনালে অবশ্য ভুটানের জালে ৫ গোল দেওয়াও কম না।
ভুটানের থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধে ভালো শুরু করে মারিয়া-তহুরারা। প্রথম গোল পেতে ছোটনের দলকে ১৮ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়। দলের পক্ষে আনাই মোগিনি প্রথম গোল করে। এরপর আবার ২০ মিনিট বাংলাদেশকে আঁটকে রাখে স্বাগতিক ভুটান। ৩৮ মিনিটের মাথায় আনুচিং মোগিনি গোল করে দলকে ২-০ গোলের লিড এনে দেয়।
এর পরপরই আরেক গোল করে তহুরা খাতুন। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে তার করা গোলে প্রথমার্ধে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শেষ করে বাংলাদেশের মেয়েরা। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৯ মিনিটে গোল পান মারিয়া মান্দা। তার গোলে বাংলাদেশ ৪-০ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে বদলি নামা শাহিদা গোল করে দলের ৫-০ গোলের জয় এনে দেয়।
বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত সাফে খেলা তাদের তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে ২২ গোল দিয়েছে। বিপরীতে এক গোলও হজম করতে হয়নি তাদের। ফাইনালেও তারা এই ধারা ধরে রাখতে পারলে শিরোপা ছোটনের শিষ্যদের হাতেই উঠবে। আর সেই লড়াইয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিককে নির্দয় নির্যাতনের
অ- অ অ+
ইসরায়েলের কারাগারে এক ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিককে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ৪২ বছর বয়সী ওই সাংবাদিকের নাম লামা খাতের।
গতকাল সংবাদ মাধ্যম ফিলিস্তিন এ কথা জানিয়েছে।
সম্প্রতি প্যালিস্টিনিয়ান প্রিজনারস ক্লাবের (পিপিসি) একজন আইনজীবী লামা খাতেরের সঙ্গে কারাগারে দেখা করেন।
ওই আইনজীবী জানিয়েছেন, কারাগারে জিজ্ঞাসাবাদকারীরা লামা খাতেরকে ভয় প্রদর্শন করছে। তারা লামাকে এই বলে ভয় দেখাচ্ছে যে, যদি তিনি স্বীকারোক্তি না দেন তবে তাঁর আত্মীয়দের গ্রেপ্তার করা হবে।
তিনি জানান, এই সাংবাদিককে কারাগারে সবসময় একটি ছোট চেয়ারে বসিয়ে রাখা হয়। শুধু তাই নয়, তাঁকে হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে পা বেঁধে রাখা হয়। এমনকি তাঁকে টয়লেটেও যেতে দেয়া হয় না।
এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে পিপিসি।
Subscribe to:
Posts (Atom)